No Translation Available

January 1, 1970 6:00 am

উপসংহার: একটি ইস্পাত কঠিন শাসনব্যবস্থার পতনের সম্মিলিত নিয়ামকসমূহ

শেখ হাসিনার পতনের দশটি প্রধান কারণ বিশ্লেষণ শেষে এটি স্পষ্ট যে কোনো একক কারণ ২০২৪ সালে তাঁর শাসনের আকস্মিক পতন ঘটায়নি। বরং দীর্ঘদিনের জমে থাকা অসন্তোষ বারুদের গুদামে ছাই-চাপা আগুনের মতো সম্মিলিতভবে এক বিস্ফোরণ ঘটায়। এধরনের জনরোষের বহিঃপ্রকাশে বিপ্লবতুল্য আন্দোলন তার শাসনামলে আরও হয়েছিল (২০০৯, ২০১৩, ২০১৪, ২০১৬ এবং ২০১৮ সালে), কিন্তু ২০২৪ সালের আগস্টে যে নিখুঁত ঝড়ের সৃষ্টি হয়েছিল তা দেখে প্রমাণ হয়, পূর্বের কোনো বিক্ষোভই বিপ্লবে রুপান্তরিত করতে পারেনি।

২০২৪ সালের জুলাই আগস্টে প্রথমবারের মতো এই দশটি কারণের সবগুলো একসাথে পূর্ণতা নিয়ে উপস্থিত ছিল জুলাই-আগস্টে। যার ফলে, এই আন্দোলনে একই সাথে রাষ্ট্রের সকল সাধারণ নাগরিক, সকল পেশাজীবী, শিক্ষার্থী, বিরোধী দল, প্রাক্তন সরকারি ও সামরিক কর্মকর্তা, শিল্পী-গুণীজন, আওয়ামী ঘরনার নিরব সমর্থকরা এমনকি তাদের প্রাক্তন নেতারাও সামিল হয়ে গিয়েছিল। এতো বিপুল সংখ্যক জনগণ এর আগে কোন বিপ্লবে বন্দুকের নলের সামনে এসে দাঁড়ায়নি ৭১, ৭৫ আর ৯০ ছাড়া। শেখ হাসিনার কর্মীবাহিনী ও রাষ্ট্রযন্ত্র এই জনবিপ্লব দমন বা সন্তুষ্ট করার কোনো যোগ্যতা রাখেনি। এটি কোনো একক স্লোগানের বিদ্রোহ ছিল না, বরং ছিল একটি গণজাগরণ - কতোগুলো অসঙ্গতির বিরুদ্ধে সম্মিলিত বিপ্লব।

টিকে থাকার মনস্তত্ত্ব ও বিপ্লবের সামাজিক মনোবিজ্ঞান

বাংলাদেশের তরুণদের এই প্রতিবাদ যুক্তরাষ্ট্রের ইউটার ব্লুজন ক্যানিয়নে ২০০৩ সালে আ্যরন রালস্টনের বেঁচে থাকার অসাধারণ সংগ্রামের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। একটি ভারী পাথর গড়িয়ে এসে রালস্টনের ডান হাতের উপর পড়ে। সেই প্রকান্ড পাথর সরিয়ে ডান হাত মুক্ত করা ছিল তাঁর জন্য অসম্ভব। পাঁচ দিন পার হবার পর মোটামুটি নিজের মৃত্যুর কাছে হার মেনে যখন ঘুমিয়ে পড়েন তখনই তিনি তাঁর ছেলেকে উদ্ধার করছেন এরকম একটা স্বপ্ন দেখেন। মুহূর্তে তাঁর মধ্যে হার না-মানার স্পৃহা জেগে উঠে। সাথে থাকা ফলকাটার ছুরি দিয়ে নিজের ডান হাত কেটে ফেলে নিজেকে মুক্ত করে প্রায় ৭ মাইল পায়ে হেটে হাজির হন লোকালয়ে। তার সিদ্ধান্ত হতাশার রূপান্তরকারী শক্তির এক জগতবিখ্যাত উদাহরণ । মনোবিজ্ঞানে অসম্ভবকে জয় করার পেছেনে যে মনস্তাত্ত্বিক প্রক্রিয়া কাজ করে তা একটি উল্লেখযোগ্য পাঠ।  তেমনি ইব্রাহীম ম্যাসলোর মানুষের চাহিদার স্তরবিন্যাস ও স্ব-নির্ধারণ তত্ত্ব থেকে বুঝা যায় মানুষ তাঁর মৌলিক চাহিদার স্তরে কেমন করে জীবন-যুদ্ধে লিপ্ত থাকে। এই স্তরে অন্য কোন চাহিদাই প্রাধান্য পায় না। শেখ হাসিনা হয়তো ম্যসলো সাহেবের তত্ত্ব অনুযায়ীস্ব-বাস্তবায়ন  পর্যায়ে এসে নিজেকে এক ডাইনী চেহারায় আবির্ভূত করেছেন। আর অপরদিকে দেশের সাধারণ মানুষ পিরামিডের নিচের স্তরে থেকে তখনো তাদের মৌলিক চাহিদার জন্য জনযুদ্ধে নিজের প্রাণ দিতে প্রস্তুত হয়ে আছে, সেটা শেখ হাসিনা বুঝতে পারছিলেন না। তাঁর তত্ত্ব এমন কাজগুলিকে বেঁচে থাকার ন্যূনতম চাহিদাপুরন হিসেবেই ব্যখ্যা করে জুলাই আগস্টের বিপ্লবকে। আর শেখ হাসিনা, যিনি তাঁর চাহিদার পিরামিডের উচ্চ স্থানে বসে তাঁর স্ব-বাস্তবায়ন  পর্যায়ে এসে সেই ডাইনী হবার ইচ্ছা পুরনে ব্যস্ত ছিলেন। তাই তাঁর পতনের সাথে সাথে এদেশের সাধারণ মানুষ তাঁর বানানো মূর্তি, তাঁর পরিবারের নামে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের নামকরনের উপর এসে আক্রোশ প্রকাশ করে।

একইভাবে, বাংলাদেশের সকল জনগণ, বিক্ষোভকারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়, আর রাষ্ট্রযন্ত্র যতোই কঠোর হতে থাকে, দেশ দুইভাগে বিভক্ত হতে থাকেঃ রাষ্ট্র (তাঁরা) বনাম জনগণ (আমরা)। রালস্টনের নিজের হাত কেটে নিজেকে মুক্ত করার মতো চরম বাধাকে সর্বস্তরের মানুষ বন্দুকের নলের সামনে দাঁড়িয়ে বরং মানসিক শক্তি হিসেবে পুনর্ব্যাখ্যা করেছিল, সম্মিলিত হতাশাকে একটি অপ্রতিরোধ্য শক্তিতে রূপান্তরিত করেছিল। সামাজিক মনোবিজ্ঞানীরা সমাজে বা পৃথিবীতে সংঘাত বিস্তার লাভের জন্য  মানুষের মধ্যে “আমরা এবং তাঁরা” মনোভাবে বিভক্ত হওয়াকে দায়ী করেছেন। এই দশটি অণুঘটক বাংলাদেশকে দুই ভাগে বিভক্ত করে সংঘাতের পথে নিয়ে গেছে। এক পক্ষের পতন হয়েছে। যে পক্ষের পতন হয়ছে সেই পক্ষই বিভক্তিটা সৃষ্টি করেছে।    

সকল যুগের জন্য একটি শিক্ষা

শেখ হাসিনার শাসনের পতন রাষ্ট্র-বিজ্ঞান, সামাজিক-মনোবিজ্ঞান এবং জনপ্রশাসন বিদ্দ্যার একটি গবেষণার বিষয় হয়ে থাকবে। প্রত্যক্ষ কারণগুলির (বিক্ষোভ, নির্বাচনী জালিয়াতি, সেনাবাহিনীর দ্বিধা, রাষ্ট্র বনাম জনগণ) বাইরে, গভীর শিক্ষাটি নিহিত আছে কিভাবে কাঠামোগত ত্রুটি - যখন অমীমাংসিত থাকে - তার ফলাফল কি বয়ে আনে। এই নিবন্ধে দশটি এমন মৌলিক কাঠামোগত ব্যর্থতার রূপরেখা দেওয়া হয়েছে। এটাই যে চূড়ান্ত তালিকা, তা নয়। বরং এখান থেকে আরও অনেক প্রাজ্ঞ বিশ্লেষণ শুরু করার নিমিত্ত মাত্র। ভবিষ্যতের গবেষকরা প্রতিটি কারণের গুরুত্বগত অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারেন, এর বাইরে আরও অন্যান্য কারন হাজির করতে পারেন, কিন্তু কেউই শেখ হাসিনার ইস্পাত কঠিন শাসনকে ক্ষমতাচ্যুত করতে এই সবগুলো নিয়ামকের সম্মিলিত ভূমিকাকে উপেক্ষা করতে পারবেন না।

প্রশ্নটি তাহলে এটা নয় যে, পতন কেন ঘটল, বরং এই যে বিশ্বের গণতান্ত্রিক শাসকগণ কতোটুকু এখান থেকে শিক্ষা নিতে পারে – সেটাই মুখ্য।

ধন্যবাদ

বিনিয়োগ বাড়াতে কী করতে হবে?

Mar 24, 2025 This discussion, delivered by this academician who served on the Whitepaper Committee, addresses many of the underlying causes of the widespread public discontent with the Sheikh Hasina regime though economy is the centre of the topic. For the benefit of analytical readers, this invaluable commentary has been appended to the conclusion of this piece. Sheikh Hasina’s governance severely hindered the development of human capital in Bangladesh. The speaker highlights the pervasive corruption within the country’s education sector, particularly concerning the younger generation. It appears that Sheikh Hasina was reluctant to foster an intellectually empowered population, fearing that an educated public might eventually challenge her authority. In the end, it was the university students across the country who united to bring about her downfall.

No Comment Yet
Overall Score: 0.0 / 10 |

উপসংহার: একটি ইস্পাত কঠিন শাসনব্যবস্থার পতনের সম্মিলিত নিয়ামকসমূহ

শেখ হাসিনার পতনের দশটি প্রধান কারণ বিশ্লেষণ শেষে এটি স্পষ্ট যে কোনো একক কারণ ২০২৪ সালে তাঁর শাসনের আকস্মিক পতন ঘটায়নি। বরং দীর্ঘদিনের জমে থাকা অসন্তোষ বারুদের গুদামে ছাই-চাপা আগুনের মতো সম্মিলিতভবে এক বিস্ফোরণ ঘটায়। এধরনের জনরোষের বহিঃপ্রকাশে বিপ্লবতুল্য আন্দোলন তার শাসনামলে আরও হয়েছিল (২০০৯, ২০১৩, ২০১৪, ২০১৬ এবং ২০১৮ সালে), কিন্তু ২০২৪ সালের আগস্টে যে নিখুঁত ঝড়ের সৃষ্টি হয়েছিল তা দেখে প্রমাণ হয়, পূর্বের কোনো বিক্ষোভই বিপ্লবে রুপান্তরিত করতে পারেনি।

২০২৪ সালের জুলাই আগস্টে প্রথমবারের মতো এই দশটি কারণের সবগুলো একসাথে পূর্ণতা নিয়ে উপস্থিত ছিল জুলাই-আগস্টে। যার ফলে, এই আন্দোলনে একই সাথে রাষ্ট্রের সকল সাধারণ নাগরিক, সকল পেশাজীবী, শিক্ষার্থী, বিরোধী দল, প্রাক্তন সরকারি ও সামরিক কর্মকর্তা, শিল্পী-গুণীজন, আওয়ামী ঘরনার নিরব সমর্থকরা এমনকি তাদের প্রাক্তন নেতারাও সামিল হয়ে গিয়েছিল। এতো বিপুল সংখ্যক জনগণ এর আগে কোন বিপ্লবে বন্দুকের নলের সামনে এসে দাঁড়ায়নি ৭১, ৭৫ আর ৯০ ছাড়া। শেখ হাসিনার কর্মীবাহিনী ও রাষ্ট্রযন্ত্র এই জনবিপ্লব দমন বা সন্তুষ্ট করার কোনো যোগ্যতা রাখেনি। এটি কোনো একক স্লোগানের বিদ্রোহ ছিল না, বরং ছিল একটি গণজাগরণ - কতোগুলো অসঙ্গতির বিরুদ্ধে সম্মিলিত বিপ্লব।

টিকে থাকার মনস্তত্ত্ব ও বিপ্লবের সামাজিক মনোবিজ্ঞান

বাংলাদেশের তরুণদের এই প্রতিবাদ যুক্তরাষ্ট্রের ইউটার ব্লুজন ক্যানিয়নে ২০০৩ সালে আ্যরন রালস্টনের বেঁচে থাকার অসাধারণ সংগ্রামের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। একটি ভারী পাথর গড়িয়ে এসে রালস্টনের ডান হাতের উপর পড়ে। সেই প্রকান্ড পাথর সরিয়ে ডান হাত মুক্ত করা ছিল তাঁর জন্য অসম্ভব। পাঁচ দিন পার হবার পর মোটামুটি নিজের মৃত্যুর কাছে হার মেনে যখন ঘুমিয়ে পড়েন তখনই তিনি তাঁর ছেলেকে উদ্ধার করছেন এরকম একটা স্বপ্ন দেখেন। মুহূর্তে তাঁর মধ্যে হার না-মানার স্পৃহা জেগে উঠে। সাথে থাকা ফলকাটার ছুরি দিয়ে নিজের ডান হাত কেটে ফেলে নিজেকে মুক্ত করে প্রায় ৭ মাইল পায়ে হেটে হাজির হন লোকালয়ে। তার সিদ্ধান্ত হতাশার রূপান্তরকারী শক্তির এক জগতবিখ্যাত উদাহরণ । মনোবিজ্ঞানে অসম্ভবকে জয় করার পেছেনে যে মনস্তাত্ত্বিক প্রক্রিয়া কাজ করে তা একটি উল্লেখযোগ্য পাঠ।  তেমনি ইব্রাহীম ম্যাসলোর মানুষের চাহিদার স্তরবিন্যাস ও স্ব-নির্ধারণ তত্ত্ব থেকে বুঝা যায় মানুষ তাঁর মৌলিক চাহিদার স্তরে কেমন করে জীবন-যুদ্ধে লিপ্ত থাকে। এই স্তরে অন্য কোন চাহিদাই প্রাধান্য পায় না। শেখ হাসিনা হয়তো ম্যসলো সাহেবের তত্ত্ব অনুযায়ীস্ব-বাস্তবায়ন  পর্যায়ে এসে নিজেকে এক ডাইনী চেহারায় আবির্ভূত করেছেন। আর অপরদিকে দেশের সাধারণ মানুষ পিরামিডের নিচের স্তরে থেকে তখনো তাদের মৌলিক চাহিদার জন্য জনযুদ্ধে নিজের প্রাণ দিতে প্রস্তুত হয়ে আছে, সেটা শেখ হাসিনা বুঝতে পারছিলেন না। তাঁর তত্ত্ব এমন কাজগুলিকে বেঁচে থাকার ন্যূনতম চাহিদাপুরন হিসেবেই ব্যখ্যা করে জুলাই আগস্টের বিপ্লবকে। আর শেখ হাসিনা, যিনি তাঁর চাহিদার পিরামিডের উচ্চ স্থানে বসে তাঁর স্ব-বাস্তবায়ন  পর্যায়ে এসে সেই ডাইনী হবার ইচ্ছা পুরনে ব্যস্ত ছিলেন। তাই তাঁর পতনের সাথে সাথে এদেশের সাধারণ মানুষ তাঁর বানানো মূর্তি, তাঁর পরিবারের নামে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের নামকরনের উপর এসে আক্রোশ প্রকাশ করে।

একইভাবে, বাংলাদেশের সকল জনগণ, বিক্ষোভকারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়, আর রাষ্ট্রযন্ত্র যতোই কঠোর হতে থাকে, দেশ দুইভাগে বিভক্ত হতে থাকেঃ রাষ্ট্র (তাঁরা) বনাম জনগণ (আমরা)। রালস্টনের নিজের হাত কেটে নিজেকে মুক্ত করার মতো চরম বাধাকে সর্বস্তরের মানুষ বন্দুকের নলের সামনে দাঁড়িয়ে বরং মানসিক শক্তি হিসেবে পুনর্ব্যাখ্যা করেছিল, সম্মিলিত হতাশাকে একটি অপ্রতিরোধ্য শক্তিতে রূপান্তরিত করেছিল। সামাজিক মনোবিজ্ঞানীরা সমাজে বা পৃথিবীতে সংঘাত বিস্তার লাভের জন্য  মানুষের মধ্যে “আমরা এবং তাঁরা” মনোভাবে বিভক্ত হওয়াকে দায়ী করেছেন। এই দশটি অণুঘটক বাংলাদেশকে দুই ভাগে বিভক্ত করে সংঘাতের পথে নিয়ে গেছে। এক পক্ষের পতন হয়েছে। যে পক্ষের পতন হয়ছে সেই পক্ষই বিভক্তিটা সৃষ্টি করেছে।    

সকল যুগের জন্য একটি শিক্ষা

শেখ হাসিনার শাসনের পতন রাষ্ট্র-বিজ্ঞান, সামাজিক-মনোবিজ্ঞান এবং জনপ্রশাসন বিদ্দ্যার একটি গবেষণার বিষয় হয়ে থাকবে। প্রত্যক্ষ কারণগুলির (বিক্ষোভ, নির্বাচনী জালিয়াতি, সেনাবাহিনীর দ্বিধা, রাষ্ট্র বনাম জনগণ) বাইরে, গভীর শিক্ষাটি নিহিত আছে কিভাবে কাঠামোগত ত্রুটি - যখন অমীমাংসিত থাকে - তার ফলাফল কি বয়ে আনে। এই নিবন্ধে দশটি এমন মৌলিক কাঠামোগত ব্যর্থতার রূপরেখা দেওয়া হয়েছে। এটাই যে চূড়ান্ত তালিকা, তা নয়। বরং এখান থেকে আরও অনেক প্রাজ্ঞ বিশ্লেষণ শুরু করার নিমিত্ত মাত্র। ভবিষ্যতের গবেষকরা প্রতিটি কারণের গুরুত্বগত অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারেন, এর বাইরে আরও অন্যান্য কারন হাজির করতে পারেন, কিন্তু কেউই শেখ হাসিনার ইস্পাত কঠিন শাসনকে ক্ষমতাচ্যুত করতে এই সবগুলো নিয়ামকের সম্মিলিত ভূমিকাকে উপেক্ষা করতে পারবেন না।

প্রশ্নটি তাহলে এটা নয় যে, পতন কেন ঘটল, বরং এই যে বিশ্বের গণতান্ত্রিক শাসকগণ কতোটুকু এখান থেকে শিক্ষা নিতে পারে – সেটাই মুখ্য।

ধন্যবাদ

No Comment Yet
Overall Score: 0.0 / 10 |

Human Rights Watch

Dhaka Tribune

Dhaka Tribune

The Daily Sun

The Daily Kalbela

The Diplomat

The Reuters

The Daily Star

জাগোনিউজ২৪.কম

State machinery was used and abused in form of plunder for personal gain of the regime top. This video is unfortunately and example of thousands of others. This was never precedented in the history of Bangladesh

This video illustrates how the banking facilities were confined to only a small part of the people of Bangladesh who are called Oligarchs of Sheikh Hasina

A Review by the Daily Amar Desh on the fate of Awami League's political future explains how flimsy is the political strength of the ruling party and so as the republic

‘কানাডার ৪০০ বাড়ির বেশিরভাগ মালিকই আমলারা’ | White Paper |

'লুটেরা সহযোগী' প্রশাসন কি ঘুরে দাঁড়াবে, কীভাবে সেটা সম্ভব?

যে কারণে আলোর মুখ দেখেনি বঙ্গভ্যাক্স ভ্যাকসিন | Bangavax Vaccine | Kalbela

জাতিসংঘই হাসিনার পতন ঘটিয়েছে? Zahed's Take । জাহেদ উর রহমান । Zahed Ur Rahman. This video is adequate a proof of international pressure on Sheikh Hasina and its impact on her eviction

In this interview in 2023 Sheikh Hasina was asked to respond to her reputation as an authoritarian leader. Facing such direct question by Yalda Hakim is perceived as an echo of the rest of the world talking about her.

In this interview soon after 2018 election in Bangladesh DW raises the question of the election anomalies which certainly were not properly explained by Sheikh Hasina. If you listen to the questions and the replies you would notice that the confusions abo

বিনিয়োগ বাড়াতে কী করতে হবে? | Investment | Economic Challenges | Bangladesh | The Business Standard

Retrospection of the Days of July-August 2024

https://www.facebook.com/share/v/12JZYKzQr9F/

যে বাংলাদেশকে আমরা দেখেছি তা পরিবর্তন হয়ে গেছে: অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী

যেভাবে সাজানো হয় জঙ্গি নাটক! | সার্চলাইট |পর্ব-২৯৪|২৯ নভেম্বর ২০২৪| Search Light

‘দিল্লিতে গু/ম হওয়া’ ব্যক্তিকে আ/সা/মী করা হয় জাহাজবাড়ির ঘটনায় | Bangla Edition

সম্পত্তি বেচতে ক্রেতা খুঁজছেন নসরুল হামিদ

What 127 Hours Got Wrong: The Aron Ralston Tragedy

Why are India and Bangladesh clashing?

Sheikh Hasina - 'It is my struggle' to establish free elections

Bangladesh PM Sheikh Hasina‘s interview to ANI

Exclusive interview with Bangladeshi Prime Minister Sheikh Hasina (CGTN)

Aug 8, 2012 BBC HARDtalk Sheikh Hasina Prime Minister of Bangladesh.

ব্যাংকে কেন ফরেনসিক অডিটের সিদ্ধান্ত? | Cenbank To Launch ... YouTube · The Business Standard · Dec 11, 2024

সম্পদ ছাড়াই টাকা ছাপিয়েছিল হাসিনা সরকার, The Business Standard

যে বাংলাদেশকে আমরা দেখেছি তা পরিবর্তন হয়ে গেছে: অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী

The Mother and the Monster: After Sheikh Hasina, what's next for Bangladesh? | 101 East Documentary

চট্টগ্রামে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের পুরো ভিডিও | AK Abdul Momen | Channel 24

What does Sheikh Hasina’s landslide victory mean for India - Bangladesh relations?

ড.ইউনূস সরকারের সিদ্ধান্ত, ভারতের পথ ব/ন্ধ | International News | Ekattor TV

মুখোমুখি সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী

Funny Speech by Femail MP in the Parliament

সেনাপ্রধান বুকে পাথর চাপা দিয়ে ইউনূসকে মেনে নিয়েছিলেন: আসিফ

বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ কী?

বিনিয়োগ বাড়াতে কী করতে হবে?

Hundreds Rally in Bangladesh over Writer’s Death in Prison

Hundreds Rally in Bangladesh over Writer’s Death in Prison

Bangladesh PM Sheikh Hasina wins historic fifth term in controversial vote | ABC News

শেখ হাসিনার চলে যাওয়ার দিন যা ঘটেছিল

Rate this Blog

Overall Score: 0.0 / 10 |